বাসাস অ্যাওয়ার্ড ২০২৬ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হলো ঢাকার সেগুনবাগিচায় জাতীয় কচিকাঁচা অডিটোরিয়ামে, আইন পেশা, সামাজিক কর্মকাণ্ড ও মানবিকতায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিশেষ সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন কুমিল্লার কৃতি সন্তান অ্যাডভোকেট মো. হাবিবুল হক। বাংলা সাংস্কৃতিক সংগঠন (বাসাস)-এর উদ্যোগে আয়োজিত ‘বাসাস অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে তাঁকে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়। রাজধানী ঢাকার সেগুনবাগিচায় অবস্থিত জাতীয় কচিকাঁচা অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়। অ্যাডভোকেট মো. হাবিবুল হক ঢাকা জজকোর্টের একজন আইনজীবী, নব উজ্জীবিত বাংলাদেশ সমাজের সভাপতি এবং সময় এডিশনের আইনবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আইন পেশার পাশাপাশি সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে তাঁর সম্পৃক্ততা তাঁকে বিশেষভাবে পরিচিত করেছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখতে গিয়ে অ্যাডভোকেট হাবিবুল হক দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে সাংস্কৃতিক বিকাশ, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং মানবিক মূল্যবোধের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি সমাজের অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো, সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং মানবিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি মনে করেন, একটি সুন্দর, সমৃদ্ধ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে আইন সম্পর্কে সচেতনতা, সামাজিক দায়িত্ববোধ এবং সুস্থ সাংস্কৃতিক চর্চার সমন্বয় অপরিহার্য। সমাজের সর্বস্তরের মানুষ নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করলে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব।
অ্যাডভোকেট হাবিবুল হক তাঁর বক্তব্যে আরও তুলে ধরেন, মানবিকতা কেবল কথার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না; বাস্তব জীবনে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় সচেতন থাকা এবং সমাজের কল্যাণে কাজ করার মধ্য দিয়েই মানবিক মূল্যবোধের প্রকৃত প্রতিফলন ঘটে। ‘বাসাস অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’-এ বিশেষ সম্মাননায় ভূষিত হওয়া তাঁর আইন পেশা, সামাজিক সম্পৃক্ততা ও মানবিক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এ ধরনের সম্মাননা সমাজের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের জনকল্যাণমূলক কাজে আরও উৎসাহিত করবে বলে প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের। আইন, সামাজিক দায়বদ্ধতা ও মানবিক মূল্যবোধকে ধারণ করে একটি সুন্দর সমাজ প্রতিষ্ঠার প্রত্যয়ে অ্যাডভোকেট মো. হাবিবুল হকের এই সম্মাননা অর্জন অনুষ্ঠানে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।